February 25, 2021, 4:18 pm
Headlines:
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার: রেলপথ মন্ত্রী ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের ওপর আঘাতের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন : তথ্যমন্ত্রী মেধা ও সৃজনশীল জাতি গঠনে শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী Islamic banking poised to expand across South and Southeast Asia post-pandemic: Moody’s Research  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত সকল পর্যায়ের পরীক্ষা ২৪ মে থেকে শুরু হবে Bangladesh denies BBC report on the location of Rohingyas adrift at sea   Bangladesh and Japan agreed to further intensify existing excellent ties Foreign Minister calls for legalization of undocumented Bangladeshis in the United States নগর পরিকল্পনাকে গণমূখী ও সার্বজনীন করতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের কোন বিকল্প নেইঃ বি.আই.পি. করোনা মহামারীতে নিও নরমাল সময়ের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা Dhaka RCSC celebrated International Mother Language Day অবহেলিত জামালপুর এখন আধুনিক জামালপুর: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ২৫ ফেব্রুয়ারি কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে হবে : মেরিন গ্রাজুয়েটদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী  পিলখানা হত্যাকান্ডে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শহীদ সদস্যদের ১২তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ক্যাশে লেনদেন কমাতে পারলে আর্থিক খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বিশ্বের তরুণ ও যুব সমাজকে কুরআন তিলাওয়াত ও অধ্যয়নের  প্রতি আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর জামানতের বিকল্প হিসেবে কৃষি কার্ড ও কৃষি বিভাগের প্রত্যয়নপত্রের ওপর গুরুত্বারোপ

SSN allowances will be sent directly to the beneficiaries’ mobile wallets to get rid of middlemen: PM

The Bangladesh Beyond
  • Published Time Thursday, January 14, 2021,

SSN allowances will be sent directly to the beneficiaries’ mobile wallets to get rid of middlemen: PM

 

Dhaka, Jan 14, 2021 (BSS):

Prime Minister Sheikh Hasina today said the government is sending allowances under social safety net (SSN) programmes directly to the beneficiaries’ mobile wallets to get rid of middlemen.

“We have been trying to send different allowances directly to the hands of the actual beneficiaries since long so nobody is there between the beneficiaries and they can use the money whatever they want,” she said.

The premier said this while inaugurating different allowances distribution ceremony at Bangabandhu International Conference Centre (BICC), joining virtually from her official residence Ganabhaban.

She said the government wants the allowances being given to different segments of destitute people are reached their hands properly and the job is being done by the mobile financial service (MFS) operators –Nagad and bKash.

Mentioning that the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman had started different works for rural people such as rural social welfare activity to change the fate and livelihood of the people, Sheikh Hasina said they (Awami League) after coming to power have taken up the unfinished schemes of Bangabandhu and are working for their (rural people) welfare.

The allowances were given directly through MFS following G2P system among the old age, widow, husband-abandoned women and financially insolvent physically challenged persons as well as education stipends to the physically challenged students under the SSN programmes.

Deputy Commissioners of Chandpur, Pirojpur, Lalmonirhat and Netrokona districts were connected with the distribution ceremony where Members of the Parliament of local constituencies, Superintends of Police, Chairmen of Zila Parishads, Awami League leaders and officials concerned were present.

Beneficiaries also talked with the Prime Minister and expressed their gratitude to her for the allowances.

They thanked the Prime Minister for sending the allowances to their mobile wallets and said it would facilitate them to spend the money easily to fulfill their necessities.

Social welfare minister Nuruzzaman Ahmed, MP also spoke on the occasion where social welfare secretary Mohammad Jainul Bari gave welcome speech.

Principal Secretary to the Prime Minister Dr. Ahmad Kaikaus moderated the event.

 

 

বিভিন্ন ভাতার টাকা সরাসরি উপকারভোগীর মোবাইলে প্রেরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ঢাকা, ৩০ পৌষ (১৪ জানুয়ারি) ২০২১:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার মধ্যস্বত্তভোগীদের দৌরাত্ম হ্রাসকল্পে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের বিভিন্ন ভাতার টাকা সরাসরি উপকারভোগীর মোবাইলে প্রেরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে ভাতাটা যাকে দিচ্ছি, সেটা যেন সরাসরি সেই মানুষটার হাতে পৌঁছায়। মাঝে যেন আর কেউ না থাকে। অর্থাৎ অর্থটা যাদের প্রয়োজন তারাই পাচ্ছেন এবং তাদের যেভাবে খুশী তারা ব্যবহার করতে পারবেন।’
এটা করার জন্য তাঁর সরকার দীর্ঘদিন থেকে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, উল্লেখ করে তিনি এ ব্যবস্থা চালুর জন্য সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয়, অর্থমন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে সামাজিক নিরাপত্তাবলয় (এসএসএন)-এর বিভিন্ন ভাতা সরাসরি উপকারভোগীদের মোবাইল ফোনে প্রেরণের উদ্যোগের উদ্বোধনকালে একথা বলেন।
এখন থেকে দু’টি শীর্ষ মোবাইল ফাইনান্সিয়াল প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’ ও ‘বিকাশ’ এর মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বয়স্ক ভাতা, বিধাবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তির টাকা সরাসরি উপকাভোগীদের মোবাইল ফোনে প্রেরণ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় সমাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সব থেকে বেশি উপকারভোগী জেলাসমূহের মধ্যে চাঁদপুর, পিরোজপুর, লালমনিরহাট ও নেত্রকোণা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিল।
পল্লী অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে জাতির পিতাই প্রচেষ্টা গ্রহণ করেন উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, তিনি পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম, প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত হাসপাতাল করা থেকে শুরু করে সমবায় ভিত্তিক চাষাবাষ চালু এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
তিনি বলেন, জাতির পিতা প্রত্যেকটি মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করে সারাদেশের জেলার সংখ্যা ২৯ থেকে বাড়িয়ে ৬০টি করেন। যেটি বর্তমানে ৬৪টি হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা যখন বয়স্ক ভাতা চালু করেছিলাম তখন এভাবে চিন্তা করেছিলাম- কেউ কেবল ভাতার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়–ক সেটা আমরা চাইনি। ভাতা পাবে কিন্তু যাদের কর্মক্ষমতা রয়েছে তারা কিছু কাজও করবেন। একেবারে ঘরে বসে থাকবেন না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে সে সময়ে অন্তত ১০ কেজি চাল ক্রয়ের সামর্থ অর্জনে ১শ’ টাকা করে ভাতার প্রচলন করা হয়। যা বর্তমানে ৫শ’ টাকা হয়েছে এবং ভাতাপ্রাপ্ত জনগণের সংখ্যাও অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এর মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্যটা হচ্ছে দেশের কোন মানুষ যেন নিজেকে অপাংক্তেয় মনে না করে এবং এর মাধ্যমে প্রত্যেকের প্রতি রাষ্ট্রের যে কর্তব্য রয়েছে সেটাই আমরা করতে চাই।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি যেদিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম শপথ নিয়েছিলাম সেদিনই বলেছিলাম দেশের সেবক হিসেবে কাজ করবো। প্রধানমন্ত্রীত্ব আমার কাছে আর কিছু না কেবল কাজের সুযোগ কাজের ক্ষমতাটার প্রাপ্তি।’
তাঁকে বার বার ভোটে নির্বাচিত করায় দেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা পুণর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের জন্য কাজ করবো, মানুষের সেবা করবো। আমার সরকার মানে মানুষের সেবক। সেই সেবক হিসেবেই কাজ করতে চাই।’
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমদ বক্তৃতা করেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.জয়নুল বারী স্বাগত বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তাবলয়ের কর্মসূচির ওপর একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়।
ইতোমধ্যে ভাতাভোগীদের ডাটাবেইজ তৈরি করা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় মোট ৮৮ লাখ ৫০ হাজার বিভিন্ন ভাতাভোগী-শিক্ষা উপবৃত্তি ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৬৯ লাখ জনের তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যেই সকল ভাতাভোগীকে ইলেক্ট্রোনিক পদ্ধতিতে ভাতা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতার শুরুতে রবার্ট ফ্রষ্টের বিখ্যাত কবিতা ‘স্টপিং বাই উডস অন এ ¯েœায়ী ইভনিং’ এর- ‘দ্যা উডস আর লাভলি ডার্ক এন্ড ডিপ/ বাট আই হ্যাভ প্রমিজেস টু কিপ/ অ্যান্ড মাইলস টু গো বিফোর আই স্লিপ/’ কবিতাটির উদ্ধৃতি তুলে ধরেন ।
শেখ হাসিনা বলেন, আমার ক্লান্ত হওয়া চলবে না, ঘুমালে চলবে না, মাইলের পর মাইল পারি দিয়ে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতেই হবে- আর সেই লক্ষ্যটা হচ্ছে এ দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। যে স্বপ্ন দেখেছিলেন আমার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
নিজের জীবনটাকে যিনি উৎসর্গ করেছিলেন এ দেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার জন্য, বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোটা অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ তারপরেও সে কাজই জাতির পিতা করতে চেয়েছিলেন জীবনের সবরকম সুখ-স্বাচ্ছন্দকে তিনি দেখেননি। বার বার আঘাত এসেছে, মৃত্যুকে কাছ থেকেও দেখেছেন কিন্তু লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি। ফাঁসির আদেশ, গুলি, বোমা, কিছ্ইু তাঁকে টলাতে পারেনি।
শেখ হাসিনা বলেন, দেশকে এভাবে ভালবাসার শিক্ষাটা তিনি পিতার কাছ থেকেই পেয়েছিলেন। কারণ, তাঁদের পরিবার নয়, দেশের মানুষই জাতির পিতার কাছে সব থেকে বড় ছিল। যেজন্য মাত্র ৫৪ বছর বয়েসেই তিনি একবার করলেন পাকিস্তান সৃষ্টির আন্দোলন এবং এরপর লড়লেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য।
‘এই ঘুণে ধরা সমাজটাকে আমাদের পরিবর্তন করতে হবে’-জাতির পিতার ভাষণের এই উদ্ধৃতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গোটা বাংলাদেশটাকে তিনি ঢেলে সাজাতে চেয়েছিলেন। যা কেবল রাজধানী বা শহর কেন্দ্রিক ছিল না, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ভাগ্য তিনি পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন।’
’৮১ সালে দেশে ফেরার পর মানুষের দুর্দশার যে চিত্র তিনি দেখেছিলেন তা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, মানুষের পেটে খাবার ছিল না, বিদেশ থেকে পুরনো কাপড় এনে মানুষকে পড়তে দেয়া হোত, তাও অনেকে পেতনা। দিনের পর দিন দুর্ভিক্ষ চলেছে, মানুষের সারি দেখে মনে হোত যেন জীবন্ত কঙ্কাল- এই ধরনের একটা পরিবেশ আমার নিজের চোখেই দেখা।
প্রধানমন্ত্রী সে সময় মাইলের পর মাইল হেঁটে বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জে গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্মৃতিচারণ করে বলেন, তখন থেকেই এই চিন্তাটা ছিল, কি করবো- ক্ষমতায় গেলে?
কাজেই ’৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় গিয়েই দেশের বয়োবৃদ্ধ, স্বামী পরিত্যক্তা এবং পরবর্তিতে প্রতিবন্ধী এবং সে সময়ে সব থেকে অবহেলায় থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ গ্রহণ করি, বলেন তিনি।
জাতির পিতা প্রদত্ত সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদের (ঘ) এর উদ্ধৃতি তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
‘সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত বা বৈধব্য, মাতৃ-পিতৃহীনতা বা বার্ধক্য সহ অন্যান্য আয়ত্ত্বাতিত পরিস্থিতিজনিত কারণে অভাবগ্রস্থতার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের ব্যবস্থা রাষ্ট্র করবে।’
জাতির পিতা কন্যা বলেন, আমাদের নতুনভাবে কোনকিছু চিন্তা করতে হয়নি, জাতির পিতা সংবিধানেই সমাজের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য বিধান দিয়ে গেছেন। যে পদাংক অনুসরণ করেই ১৯৯৭ সাল থেকে ভূমিহীন-গৃহহীণ মানুষকে ঠিকানা প্রদানে তাঁর সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের শুরু।
তিনি বলেন, কৃষিমন্ত্রী এবং ’৭৫ এর ১৫ আগষ্টের শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াতের মাধ্যমে নোয়াখালির চরে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প চালুর মাধ্যমে এই প্রকল্পের কাজও জাতির পিতাই শুরু করে যান।
তাঁর বিরোধী দলে থাকার সময় এবং সরকারের আসার পরেও বস্তির ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে মতবিনিময়ের প্রসংগ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি বস্তির ছোট ছেলে-মেয়েদের ডেকে তাদের পথ শিশু হওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করে জেনেছেন-পারিবারিক সংঘাত অথবা অকাল বৈধব্য কিংবা স্বামী পরিত্যক্তা হওয়াই এর কারণ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বামী পরিত্যক্তা নারীদের জায়গা বাপের বাড়ি বা স্বামীর বাড়িতে না হওয়ায় ভাগ্য অন্বেষণে এসে অনেকেরই পতিতালয়ে ঠিকানা হয়। আর ছেলে-মেয়েগুলো ভবঘুরে বা পথশিশু হয়ে যায়। কাজেই হাতে কিছু টাকা রেখে পরিবার ও সমাজে যেন তাঁরা বেঁচে থাকতে পারেন এবং নানা সামাজিক অবিচার থেকে অসহায় দরিদ্রদের রক্ষার জন্যই তাঁর সরকার নানারকম ভাতার প্রচলন করেছে।
তিনি বলেন, হাতে নগদ টাকা থাকলে পরে স্বামী পরিত্যক্তা, বিধবাদের পরিবারে স্থান হবে এবং সামাজিক সমস্যাও দূর হবে। ২০০১ সালের পর ক্ষমতায় এসেই বিএনপি-জামায়াত তাঁর সরকারের দরিদ্রবান্ধব সামাজিক নিরাপত্তাবলয়ের কর্মসূচিগুলোর সঙ্গে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ঘরে বসে মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তির কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোও বন্ধ করে দেয়।
তিনি বলেন, একটি বাড়ি একটি খামার (পরর্তীতে আমার বাড়ি আমার খামার) যেটি গ্রাম্য খামার ভিত্তিক গ্রামীণ জনগণের উন্নয়নের প্রচেষ্টা ছিল সেটি সহ বহু কাজ পরবর্তী বিএনপি সরকার বন্ধ করে দেয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুর্ভাগ্য ২০০১ সালে আমরা ক্ষমতায় আসতে পারিনি। তবে, ২০০৯ সালে পুনরায় সরকার গঠনের পর সেসব কর্মসূচি পুনরায় চালু করেছি এবং এখনও চলছে।’
করোনাভাইরাসের কারণে জাতির পিতার চলমান জন্মশতবার্র্ষিকী উদযাপন কর্মসূচি ঘটা করে করতে না পারলেও তাঁর সরকার মুজিববর্ষে দেশের গৃহহীন প্রত্যেককে একটি ঘরে বসবাসের ঘর করে দেওয়ার মাধ্যমে গৃহহীনদের পুনর্বাসনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, সারাদেশে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির মাধ্যমে এক কোটির বেশি বৃক্ষরোপন করা এবং মুজিববর্ষ ও আসন্ন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনকালে সরকার দেশের সকল ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে সব ঘর আলোকিত করার পদক্ষেপও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
তিনি এসব কাজে সকলের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করেন এবং বৃক্ষরোপন কর্মসূচিটি সবসময় চলমান রাখারও আহবান জানান।

Social Medias

More News on this Topic
01779911004