February 25, 2021, 5:01 pm
Headlines:
দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের আওয়ামী লীগে স্থান নেই: খাদ্যমন্ত্রী সম্ভাবনাময় ব্লকচেইন প্রযুক্তি বিশ্বকে বদলে দিবে: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বছরে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব :বাণিজ্যসচিব মুজিবনগর স্বাধীনতা সড়কের কাজ আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে শেষ হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী চিনিকলগুলোর কার্যক্রম বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ বেভারেজ প্রজেক্টের অগ্রগতি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার: রেলপথ মন্ত্রী ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের ওপর আঘাতের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন : তথ্যমন্ত্রী মেধা ও সৃজনশীল জাতি গঠনে শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী Islamic banking poised to expand across South and Southeast Asia post-pandemic: Moody’s Research  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত সকল পর্যায়ের পরীক্ষা ২৪ মে থেকে শুরু হবে Bangladesh denies BBC report on the location of Rohingyas adrift at sea   Bangladesh and Japan agreed to further intensify existing excellent ties Foreign Minister calls for legalization of undocumented Bangladeshis in the United States নগর পরিকল্পনাকে গণমূখী ও সার্বজনীন করতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের কোন বিকল্প নেইঃ বি.আই.পি. করোনা মহামারীতে নিও নরমাল সময়ের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা Dhaka RCSC celebrated International Mother Language Day অবহেলিত জামালপুর এখন আধুনিক জামালপুর: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ২৫ ফেব্রুয়ারি কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

CCNF recommended education with Myanmar Curriculum for Rohingya

The Bangladesh Beyond
  • Published Time Saturday, January 23, 2021,

CCNF demands on the occasion of International Education Day

Rehabilitation programs for the local education and students, Education with Myanmar Curriculum for Rohingya Recommended

 

Cox’s Bazar, January 23, 2021:

On the occasion of International day of education the day, January 24, 2021, the Cox’s Bazar CSO-NGO Forum (CCNF) has called upon all concerned to take up special rehabilitation programs for local educational institutions and students in Cox’s Bazar affected by the Rohingya influx.

In a press release today, the network of 50 local NGOs and civil society organizations active in the promotion of development and human rights in Cox’s Bazar also recommended the introduction of education for Rohingyas with Myanmar curriculum to make Rohingya repatriation sustainable.

 

According to the press release, some local education institutions were initially used as temporary barracks for military personnel at the beginning of the Rohingya influx in 2017, and many Rohingyas also took refuge in various institutions. As a result, these institutions were shut down their activities for a few months. Many students stopped going to school because of the increasing number of people and the huge congestion of vehicles used in relief programs. Many college students and teachers got the opportunity to join the various organizations involved in the relief program. From one school seven out of ten teachers left school and joined another job. The entire education system is under threat. The statement stated that only 2.6 percent of global the relief program has been allocated to the education sector.

 

According to the press statement, although Rohingya children aged 6-14 years have been included in the non-formal education program initiated by the Government of Bangladesh and various organizations, 83% of adolescents and youth aged 15-24 years do not participate in any education program. Education programs up to level 1-4 are currently being conducted for more than 300 thousand children and adolescents in approximately 6,000 learning centers. There is a sense of frustration among students and their parents about the lack of educational opportunities for those over 15 years of age and the lack of education in the Myanmar curriculum. Rohingyas want to return to their homeland, but there is also enough interest in higher education among students. But students have been deprived of their regular studies for the last 3 years. They fear that their educational life will become uncertain as they return.

 

The press release makes several specific recommendations, including:

 

  1. Infrastructural development of local educational institutions, recruitment of skilled and trained teachers should be ensured and stakeholders including donors should come forward to ensure special incentives for local students. Technical curriculum in local education and establishment of technical college can be effective in this regard.

 

  1. Diplomatic initiatives are needed to ensure that the Rohingya curriculum and that educational activity adopted here are recognized by the Government of Myanmar. The international communities, including the United Nations, need to put pressure on Myanmar.

 

  1. We urge the United Nations and international donors to take effective action to ensure the recruitment of adequate teachers and training for them. Many Rohingyas are educated in Cox’s Bazar camps, they can be trained as teachers.

 

  1. involvement of local and foreign educators in the creation of a new and effective curriculum and teacher training is needed. Our universities can play an important role in this respect.

 

ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের পুনর্বাসন এবং রোহিঙ্গাদের জন্য মায়ানমার পাঠ্যক্রমে শিক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নের সুপারিশ

কক্সবাজার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২১:

আগামীকাল, ২৪ জানুয়ারি, ২০২১, আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে রোহিঙ্গা আগমনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পুনর্বাসন কর্মসূচি গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহŸান জানিয়েছে কক্সবাজার সিএসও-এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ)। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবসন টেকসই করতে রোহিঙ্গাদের জন্য মায়ানমার পাঠ্যক্রমে শিক্ষাকর্মসূচি প্রণয়নেরও সুপারিশ করেছে কক্সবাজারে উন্নয়ন ও মানবাধিকার বিকাশে সক্রিয় ৫০টি স্থানীয় এনজিও ও সুশীল সমাজ সংগঠনের এই নেটওয়ার্ক।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০১৭ সালে নতুন করে রোহিঙ্গাদের আগমন শুরু হলে প্রাথমিকভাবে কয়েকটি স্কুলকে সেনা সদস্যদের অস্থায়ী ব্যারাক হিসেবে ব্যবহার করা হয়, অন্যদিকে অনেক রোহিঙ্গাও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভবনে আশ্রয় নেয়। এতে করে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কয়েকমাস শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখে। মানুষের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় এবং ত্রাণ কর্মসূচিতে ব্যবহৃত যানবাহনের ব্যাপক ভীড়ের কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। অনেক কলেজ ছাত্র এবং শিক্ষক অধিকতর আয়ের সুযোগ পেয়ে ত্রাণ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগদান করেন। একটি বিদ্যালয়ের ১০জন শিক্ষকের মধ্যে ৭জনই শিক্ষকতা ছেড়ে অন্য চাকরিতে যোগ দেন। এত করে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মুখে। রোহিঙ্গা কর্মসূচিতে শিক্ষা এখনো তুলনামূলকভাবে অনেক কম গুরুত্ব পাচ্ছে বলে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈশ্বিক জরুরি ত্রাণ কর্মসূচির মাত্র ২.৬% বরাদ্দ হয়েছে শিক্ষা খাতে।

বিজ্ঞপ্তিটিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগে ৬-১৪ বছর বয়সী রোহিঙ্গা শিশুদেরকে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হলেও, ১৫-২৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরী এবং যুবক-যুবতীদের ৮৩%-ই শিক্ষামূলক কর্শসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত নেই। বর্তমানে রোহিঙ্গা শিবিরগুলোর প্রায় ৬ হাজার শিক্ষা কেন্দ্রে ৩ লাখেরও বেশি শিশু-কিশোরের জন্য লেভেল ১-৪ পর্যন্ত শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। ১৫ বছর বেশি বয়সীদের শিক্ষার সুযোগ না থাকা এবং মায়ানমার পাঠ্যক্রমে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা কাজ করছে। রোহিঙ্গারা নিজের দেশে ফিরে যেতে চায়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্চ শিক্ষার আগ্রহও যথেষ্ট। কিন্তু গত ৩ বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষার্থীরা তাদের নিয়মিত পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন। ফিরে গেলে তাদের শিক্ষা জীবন একটি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাবে বলেই তাদের আশংকা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটিতে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ তুলে ধরা হয়, সেগুলো হলো:

১. স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা নিশ্চিত করতে দাতা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসতে হবে। পাঠ্যক্রমে কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা এবং কারিগরি কলে প্রতিষ্ঠা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

২. মায়ানমার ভাষায় গৃহীত পাঠ্যক্রম এবং এই শিক্ষা কার্যক্রমকে মায়ানমার সরকার কর্তৃক স্বীকৃত করার জন্য কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রয়োজন। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এজন্য মায়ানমারের উপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে।

৩. মায়ানমার পাঠ্যক্রমে পাঠদানে সক্ষম পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা প্রদানে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক দাতাসংস্থাগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। কক্সবাজার শিবিরগুলোতে শিক্ষিত রোহিঙ্গা রয়েছে, তাদের শিক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে।

৪. নতুন ও কার্যকর একটি পাঠ্যক্রম তৈরি এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণে দেশি বিদেশি শিক্ষাবিদদের সম্পৃক্ত করতে হবে

Social Medias

More News on this Topic
01779911004