March 8, 2021, 1:12 pm
Headlines:
কক্সবাজারকে অত্যাধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ-কসোভো’র মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার আহ্বান শিল্পমন্ত্রীর অনুদান প্রদানের আবেদনের সময় ১৫ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘মুক্তির ডাক’-এর মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী অধিকার আদায়ে নারীদের যোগ্যতা অর্জনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় ১ লাখ ৭ হাজার ২০০ জনের ভ্যাকসিন গ্রহণ প্রথমবারের মতো চার বাংলাদেশি নারী বিচারক অংশ নিতে যাচ্ছেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে বিশ্ব ঐতিহ্যে ঘোষণা করে ইউনেস্কো তার নিজস্ব ইতিহাসকেই সমৃদ্ধ করল: শুভেচ্ছা দূত প্রিন্সেস ডানা 7 March will ever remain a treasured part of Bangladesh’s history: Shahriar Alam নারী শিক্ষা এবং কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী বিদেশের সমস্ত বাংলাদেশ মিশন ঐতিহাসিক ৭ মার্চ’ পালন করেছে  FM asked to highlight favorable investment environment of the country to the world Shahriar Alam held bilateral talks with his Saudi counterpart ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ঐতিহাসিক উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ ৬ মাস বাড়ছে ড্যাপ বাস্তবায়নে ওয়ার্কিং কমিটি গঠন আন্তর্জাতিক নারী দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী আন্তর্জাতিক নারী দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী “আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ৫ জন জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান করা হবে”: ইন্দিরা ৭ই মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের শ্রদ্ধা নিবেদন

সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষায় সরকার বিজিবিকে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন করে গড়ে তুলবে : প্রধানমন্ত্রী

The Bangladesh Beyond
  • Published Time Saturday, December 5, 2020,

সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষায় সরকার বিজিবিকে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন করে গড়ে তুলবে : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০ (বাসস) :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার পাশাপাশি সীমান্তে চোরাচালান এবং নারী-শিশু পাচার বন্ধে বিজিবিকে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন করে গড়ে তুলবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ আমরা একটা আধুনিক যুগে প্রবেশ করেছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলেছি। কাজেই, আমাদের বর্ডার গার্ড সেভাবে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন হবে।’
তিনি বলেন, তারা আমাদের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচারসহ সীমান্তে যেসব অপকর্ম হয় সেগুলো বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। সে দিকে লক্ষ্য রেখেই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে আমরা বিশেষভাবে নজর দিয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর ৯৫তম ব্যাচ রিক্রুট মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড কলেজ, সাতকানিয়া, চট্টগ্রামের মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন।
শেখ হাসিনা বিজিবি’র ৯৫তম রিক্রুট ব্যাচের সকল সদস্যকে সফলভাবে তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করায় অভিনন্দন জানিয়ে শৃঙ্খলা এবং চেইন অব কমান্ড বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, ‘সব সময় মনে রাখতে হবে যে কোন সুশৃঙ্খল বাহিনীর জন্য সব চেয়ে বেশি প্রয়োজন শৃঙ্খলা। কাজেই, সেদিকে লক্ষ্য রেখে সবাইকে চলতে হবে। বাংলাদেশ যে আদর্শ নিয়ে স্বাধীন হয়েছে। সে আদর্শ নিয়েই চলতে হবে এবং উর্ধ্বতন কতৃর্পক্ষের আদেশ মেনে কর্তব্য পালনে নির্ভীক থাকতে হবে। আর অধঃস্তনদের প্রতিও সহমর্মিতার মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশটাকে ভবিষ্যতে যেন আমরা আরো উন্নত করতে পারি সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সকলে কাজ করবেন। সেটাই আমি চাই।’
তিনি বিজিবি’র চার মূলনীতি-‘মনোবল, ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও দক্ষতায়’ উদ্বুদ্ধ হয়ে সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে সকলকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, এই দেশটা আমাদের, আপনাদের, আমাদের সকলের। এই দেশ উন্নত হলে আপনার বাবা-মা-ভাই-বোন এবং ভবিষ্যত বংশধরেরা সুন্দরভাবে বাঁচতে পারবে। সেই কথাটা সব সময় আপনাদের মনে রাখতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তৃতা করেন। বিজিবি’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম বিজিবি ট্রেনিং সেন্টার থেকে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন।
প্রধানমন্ত্রীকে অনুষ্ঠান থেকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানানো হয়। তিনি নবীন সদস্যদের মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজও উপভোগ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭৪ সালের ৫ ডিসেম্বর এই বাহিনীর ৩য় রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে দেয়া ভাষণের উল্লেখযোগ্য অংশ উদ্ধৃত করেন।
জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘আজ আপনাদের কাছে আমি অনেক বড় কর্তব্য দিয়েছি, অনেক বড় কাজ দিয়েছি। এ কাজ হলো চোরাচালান বন্ধ করা। তোমাদের কাছে আমার হুকুম, স্মাগলিং বন্ধ করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, তোমরা পারবা। এ বিশ্বাস তোমাদের উপর আমার আছে। আশা করি, তোমরা স্মরণ রাখবা। মনে রাখতে হবে, স্মাগলারের কোন যাত নাই, ধর্ম নাই, তারা মানুষ নামের নর পশু। তারা এদেশের সম্পদকে বিদেশে চালান দেয় সামান্য অর্থের লোভে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই বক্তব্যে জাতির পিতার যে নির্দেশনা রয়েছে, আমি আশা করি, আপনারা তা মেনে চলবেন। আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পাশাপাশি এই অপকর্মগুলো রোধ করতে আপনারা আন্তরিক ভাবে কাজ করবেন। কারণ, এই কথাগুলো এখনও প্রাসঙ্গিক।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশ ও জাতির প্রতি সেবার মনোভাব নিয়ে নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হবে। দেশকে ভালবাসতে হবে, মানুষকে ভালবাসতে হবে, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে এবং মনে রাখতে হবে এই দেশ অর্থনৈতিকভাবে যত উন্নত হবে আপনাদের পরিবারগুলোও উন্নত হবে।’
শেখ হাসিনা করোনার সেকেন্ড ওয়েভ সম্পর্কে দেশবাসীকে পুণরায় সতর্ক করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং মাস্ক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শেখ হাসিনা করোনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘দারিদ্র্যের হার আমরা ৪০ ভাগ থেকে ২০ দশমিক ৫ ভাগে নামিয়ে এনেছিলাম এবং লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলাম আরো ২/৩ ভাগ কমিয়ে আনার। কিন্তু করোনার কারণে সেটা কিছুটা হয়তো থেমে গেছে। যদিও আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। যে যেখানে আছেন (সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং চিকিৎসা কার্যে নিয়োজিত) তারা হয়তো অসুস্থ হচ্ছেন তারপরেও দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।’
তিনি এজন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং করোনাকালীন জনগণের কষ্ট লাঘবে বিভিন্ন শ্রেনী পেশা এবং আম জনতার জন্য তাঁর সরকার প্রদত্ত বিভিন্ন প্রণোদনার উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সকলকেই সহযোগিতা করছি যাতে সকলে নিজ নিজ অবস্থানে সুরক্ষিত থাকতে পারেন এবং দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে পারেন।’
‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই মুজিবর্ষে একটি মানুষও আর গৃহহারা থাকবে না। আর ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন কালে দেশের প্রত্যেকটি ঘরে বিদ্যুতের আলো জ¦লবে,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিশে^র বিভিন্ন দেশে ব্যাপকভাবে আবারো করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, উল্লেখ করে তিনি বিজিবি সদস্যদের করোনাভাইরাস যেন ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘নিজে সুরক্ষিত থাকার পাশাপাশি পরিবারের সদস্য এবং বন্ধু-বান্ধবদের সুরক্ষিত রাখার উদ্যোগ নেবেন।’
‘করোনার সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবেলায় যা যা করণীয় তার সবই সরকার করছে’, উল্লেখ করে তিনি ভ্যাকসিন সংগ্রহেও তাঁর সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘ভ্যাকসিন ক্রয়ের জন্য আমরা টাকার বরাদ্দ দিয়ে ইতোমধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি।’
শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের সময়ে বিজিবি’র উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ’৭৫ এ জাতির পিতাকে হত্যার ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানকে আধুনিক ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলার কাজ শুরু করে। আমাদের আশু, মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে আমরা বাংলাদেশকে যেমন গড়ে তুলছি তেমনি বিজিবিকেও ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী করে গড়ে তোলার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।’
জাতির পিতা ভারতের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি করে গেলেও ’৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো-জিয়া, এরশাদ এবং খালেদা জিয়ার কেউই ভারতের সঙ্গে এই চুক্তির বাস্তবায়ন ঘটিয়ে বর্ডার গার্ডের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি, মর্মে অভিযোগ উত্থাপন করেন সরকার প্রধান।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরই কেবল দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সীমান্ত সমস্যার সমাধান করা হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পাশাপাশি, সীমান্তের উন্মুক্ত এলাকাগুলোতে নতুন নতুন বর্ডার পোস্ট তাঁর সরকার নির্মাণ করছে, বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, বিজিবিকে আরো শক্তিশালী করা এবং সীমান্তের প্রতিটি জায়গায় যেন তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয় সেব্যবস্থা নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে ‘বর্ডার গার্ড ভিশন-২০৪১’ প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কারণ, তাঁর সরকার এখন বিজেবিকে একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলেছে।
তিনি বলেন, ‘বাহিনীতে হেলিকপ্টারের সঙ্গে নদী মাতৃক এই দেশের সীমান্ত প্রহরায় নৌযান সংযুক্তির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফলে, জলে, স্থলে এবং আকাশ পথে-সর্বত্রই বিজিবি’র এখন বিচরণ রয়েছে। ১৫ হাজার জনবলের ধাপে ধাপে অন্তর্ভূক্তি এবং প্রশিক্ষণের উদ্যোগ ও নেয়া হয়েছে।’
তাঁর সরকারই বিজিবিতে প্রথম নারী সদস্য অন্তর্ভূক্ত করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নারী সদস্য আমরা নিতে শুরু করেছি। পাশাপাশি, আধুনিক সরঞ্জামাদি যা যা প্রয়োজন তার জন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।’
তিনি বলেন, স্মার্ট বর্ডার ম্যানেজমেন্টের অংশ হিসেবে সীমান্তে নতুন বিওপি, বিএসপি নির্মাণসহ অত্যাধুনিক সার্ভেইলেন্স ইকুইপমেন্ট স্থাপন, এটিভি ও অত্যাধুনিক এপিসি, ভেহিক্যাল স্ক্যানার ও দ্রুতগামী জলযান সংযোজন করার মাধ্যমে বিজিবি’র উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। পাশাপাশি, বিজিবি সদস্য ও পরিবারবর্গের চিকিৎসা সেবায় বিজিবি’র ৫টি হাসপাতালকে আরও উন্নত করা হয়েছে। বিজিবি হাসপাতাল, ঢাকায় একটি অত্যাধুনিক ক্যাথ ল্যাব ও করোনারী কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) স্থাপন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতার স্বাধীনতার ঘোষণা দেশব্যাপী প্রচারে অংশ নেয়ার কারণে চরম নির্যাতনে তৎকালীন ইপিআর সদস্যসহ মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বিজিবি সদস্যদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, ‘এ বাহিনীর প্রায় ১২ হাজার সদস্য মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। ৮১৭ জন সদস্য মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। তাদের আত্মত্যাগ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।’
করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও বিজিবি’র নবীন সদস্যরা তাদের প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করতে পারায় প্রধানমন্ত্রী এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, ‘এটা একটা কঠিন কাজ ছিল। কারণ, করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ^টাকে স্থবির করে রেখেছে। যে কারণে, আজকের অনুষ্ঠানটিও তাঁকে ভার্চুয়াল করতে হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ যাতে সংক্রমিত না হয় সেকথা চিন্তা করেই তাঁর সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা নিয়ে করোনাকালীন বিভিন্ন কর্মসূচি ভার্চুয়ালি আয়োজন করে যাচ্ছে।’
সব বিষয়ে সেরা নবীন সৈনিক হিসেবে বক্ষ নম্বর-৪৩১ রিক্রুট মো. খোকন মোল্লা’কে প্রথম স্থান অর্জন করায় এবং বক্ষ নং-৬৮৭ রিক্রুট হাসিনা আক্তার বিথি শ্রেষ্ঠ ফায়ারার হওয়ায় উভয়কে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

Social Medias

More News on this Topic
01779911004