April 13, 2021, 4:05 pm
Headlines:
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ই-পোস্টার প্রকাশ সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩২৯ জনের ভ্যাকসিন গ্রহণ নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর বিডা’র অনলাইন ওএসএস পোর্টালে যুক্ত হলো আরো ৫ টি নতুন সেবা আগামীকাল থেকে পবিত্র রমজান মাস গণনা শুরু ভুয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি নিলেন মমতাজ ১৩ এপ্রিল কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন সরকার সব সময় আপনাদের পাশে রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সকল প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার নির্দেশ বাংলা নববর্ষে তথ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী  পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী  বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালে জেলেদের জন্য ৩১ হাজার মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ করোনা রোধে বিধিনিষেধ চলাকালে জরুরি প্রয়োজনে পুলিশের MOVEMENT PASS কোভিড-১৯ সংক্রমিত রোগীর ঢাকামুখী না হওয়ার পরামর্শ নওগাঁয় তিনটি উপজেলায় সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্টের উদ্বোধন করলেন খাদ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী India approves Russia’s Sputnik V Covid-19 vaccine

শিল্প-কারখানা খোলা রেখে কিভাবে লকডাউন কার্যকর হবে?: সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট

The Bangladesh Beyond
  • Published Time Sunday, April 4, 2021,
শিল্প-কারখানা খোলা রেখে কিভাবে লকডাউন কার্যকর হবে?: সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট
ঢাকা,৪ এপ্রিল, ২০২১ঃ
উৎপাদনের স্বার্থে শ্রমিকের জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করছেনা সরকার।
সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন ও সাধারন সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল, শিল্প-কারখানা খোলা রেখে কিভাবে লকডাউন কার্যকর হবে এবং উৎপাদনের স্বার্থের কথা বলে শ্রমিকের জীবনের ঝুঁকি কি উপেক্ষিত হবে?-এই প্রশ্ন রেখে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের জন্য বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত বছর ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত যখন করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল সেই সময়ও উৎপাদনের চাকা সচল রাখার কথা বলে গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন রপ্তানিমূখি শিল্প চালু রাখা হয়েছিল। সেই সময় গণপরিবহন বন্ধ থাকা অবস্থায় শ্রমিকরা অমানবিক কষ্ট করে এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থলে উপস্থিত হয়ে উৎপাদন কাজ চালু রাখে। স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে উৎপাদনের চাকা সচল রাখার জন্য এই শ্রমিকদের অতিরিক্ত কোন সুবিধা দেয়া হয়নি বরং এক মাসে ৩৫ শতাংশ মজুরি এবং ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা কম দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন গবেষণার ফলাফল থেকে দেখা যায় সেই সময় প্রায় ৭৩ শতাংশ মানুষের গড় আয় কমেছে ২০ শতাংশ অথচ মাথাপিছু গড় আয় ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০৬৪ ডলার হয়েছে। অর্থাৎ শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উৎপাদন চালু রাখবে আর সুফল ভোগ করবে অন্যকেও, শ্রমিকের জীবনের আবার মূল্য কি-এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে। আগামী ৫এপ্রিল থেকে কার্যকর হতে যাওয়া লকডাউনের মধ্যে শিল্প-কারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সরকারের একই দৃষ্টি ভঙ্গির প্রতিফলন।
নেতৃবৃন্দ দাবি জানান, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উৎপাদনের চাকা সচল রাখার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের জন্য ঝুঁকি ভাতা প্রদানের ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। নেতৃবৃন্দ, কর্মক্ষেত্রে নামমাত্র নয় স্বাস্থ্য সুরক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি লকডাউন চলাকালিন সময়ে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের এবং কর্মহীন শ্রমিকদের জন্য নগদ ও খাদ্য সহায়তা প্রদানের আহবান জানান। নেতৃবৃন্দ করোনা আক্রান্ত শ্রমিকের চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব মালিক এবং সরকারকে বহন করতে হবে বলে জোর দাবি জানান।

Social Medias

More News on this Topic
01779911004