March 8, 2021, 4:13 am
Headlines:
ড্যাপ বাস্তবায়নে ওয়ার্কিং কমিটি গঠন আন্তর্জাতিক নারী দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী আন্তর্জাতিক নারী দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী “আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ৫ জন জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান করা হবে”: ইন্দিরা ৭ই মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের শ্রদ্ধা নিবেদন বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সমগ্র জাতিকে মুক্তির লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ করে: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী ৮০টি দেশে সফটওয়্যার রপ্তানি করছে বাংলাদেশ: মোস্তাফা জব্বার মুজিববর্ষ উপলক্ষে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ওয়াল ব্রান্ডিং উদ্বোধন Bangladesh condemns drone attacks in Saudi Arabia নওগাঁয় জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে খাদ্যমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন ভ্রাম্যমাণ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর বাস উদ্বোধন জাপানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত ৭ মার্চ উপলক্ষে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ৭ই মার্চ বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ: ডিএসসিসি মেয়র  দেশের স্বাধীনতা ও উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী  ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী আগামীকাল ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্বর্ণের দাম কমলো: কমবে আরো বাংলাদেশ আইএসএ পরিষদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছে

ভ্যাকসিনের কোন অভাব নেই, ভবিষ্যতেও হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

The Bangladesh Beyond
  • Published Time Wednesday, February 17, 2021,

ভ্যাকসিনের কোন অভাব নেই, ভবিষ্যতেও হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১:

 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, প্রতিটি ভ্যাকসিন কেন্দ্রে স্থানীয় লোকের হার ও চাহিদা অনুযায়ী প্রথম ডোজের টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। কোন কোন কেন্দ্রে এই চাহিদা ও রেজিষ্ট্রেশনের হার তুলনামূলক অনেক বেশি হয়ে গেছে। একারনে কিছু কেন্দ্রে ভ্যাকসিন স্বল্প সময়ের জন্য কমে গেলেও সময়মতো সেখানে চাহিদামাফিক পাঠিয়ে দেয়া হবে। শুরুতেই দেশে ৭০ লক্ষ ভ্যাকসিন আনা হয়েছে। আবার ২২ ফেব্রুয়ারী দেশে আরো ২৫ লক্ষ আনা হচ্ছে। এভাবে প্রতি মাসেই নিয়মিতভাবে ভ্যাকসিন আনা হবে। ফলে ভ্যাকসিনের অভাব কখনই হবে না এবং দেশের সকলেই তা পাবেন।

 

আজ ঢাকা ডেন্টাল কলেজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ও মুজিব কর্নারের উদ্বোধন এবং অডিটোরিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ২০টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অনুমোদন দিয়েছেন। ৪টি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। প্রতিটি জেলায় ১০টি আইসিইউ বেড, ১০ বেডের ডায়ালাইসিস সেন্টার হচ্ছে। ৮ বিভাগে ৮টি ১৫ তলাবিশিষ্ট ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে আগামী মাস থেকেই। অন্যান্য আরো অনেক স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠার কাজগুলো চলমান রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে গ্রামের মানুষকে আর কষ্ট করে ঢাকায় আসতে হবে না। নিজ এলাকাতেই চিকিৎসা সেবা নিবে মানুষ।

 

 

করোনাকালিন সরকারবিরোধী ব্যক্তিদের নানা সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি যখন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছি, তখন শুরু হয়েছিল ডেঙ্গু। আর এখন পেলাম করোনা মহামারি। আমরা সাফল্যের সঙ্গে করোনা মহামারি মোকাবিলা করছি। অনেকে ঘরে বসে নিরাপদে থেকে সমালোচনা করেছেন, কিন্তু অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াননি। আমরা মানুষের সেবা দিয়ে গেছি। অনেক দেশের অবস্থা খুবই নাজুক। শুরুতে যখন করোনা ভাইরাসের ব্যবস্থাপনাই কেউ জানতো না, সেখানে অব্যবস্থাপনা কিসের! তবুও আমরা মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছি। পৃথিবীর অনেক দেশ এখন পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরুই করতে পারেনি। আমরা শুরু করেছি ইতোমধ্যেই ১৩ লাখ মানুষ টিকা নিয়েছেন ও প্রায় ২৫ লাখ মানুষ রেজিষ্ট্রেশন করেছেন।

 

জাহিদ মালেক আরো বলেন, আজকে আমাদের সংক্রমণের হার অনেক কম। সুস্থতার হার প্রায় ৯০ শতাংশ। ডাক্তার-নার্সরা জীবন দিলো, কিন্তু সমালোচনা থামছে না। আমাদের প্রশংসা করতে হবে, প্রশংসা করলে চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্টরা আরো বেশি অনুপ্রাণিত হবেন।

এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকার দ্বিতীয় ডোজ চার সপ্তাহ পরে নেয়ার কথা ছিল, এখন তা আট সপ্তাহ করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুসারে এই সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ দেয়ার পর দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার জন্য তিন মাস সময় পাওযা যাবে। যত দেরিতে নিবেন, শরীরে তত বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হবে এবং ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা অনেক বেশি হবে। এই জন্য আমরা দ্বিতীয় ডোজের সময় নির্ধারণ চার সপ্তাহের বদলে আট সপ্তাহ করেছি।

 

উল্লেখ্য, এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকা ডেন্টাল কলেজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ম্যুরাল উন্মোচনসহ অডিটোরিয়ামের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং মুজিব কর্ণার উদ্বোধন করেন।

ঢাকা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের অধ্যাপক ডা. এম. ইকবাল আর্সলান, মহাসচিব অধ্যাপক এম এ আজিজ প্রমুখ।

Social Medias

More News on this Topic
01779911004