April 17, 2021, 6:42 pm
Headlines:
কবরী চাচি ছিলেন অভিভাবকের মতো : শামীম ওসমান ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত রংপুরে অবৈধ ঔষুধ রাখায় লক্ষ টাকা জরিমানা ১০৯ বছর বয়সী বৃদ্ধের জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগ আমলে নিলেন ওসি লালমনিরহাটে ভুট্টা পাতার হাট! কালিয়াকৈরে বসত-বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটের অভিযোগ, আহত ১ ময়মনসিংহে ৫ টাকায় ইফতার, চলবে মাসজুড়ে গুরুবাস: পর্যটনের নতুন স্কুল অব থট ফুডপান্ডার কর্মচারীকে মারধর : প্রভাবশালী অভিযুক্তকে ত্বরিৎ গ্রেফতার ঢাদসিকের ৯ আদালতের অভিযান: ২২ মামলায় ৬৭ হাজারের অধিক জরিমানা ইস্তাম্বুলে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদ্‌যাপিত মুজিবনগর সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে শেখ হাসিনার সরকার : শ ম রেজাউল করিম ১৭ এপ্রিল কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন Civil Society urged PM to speak for “A Global Regime on Climate Displacement” in Leaders’ Summit on Climate Effective social dialogues key to recovery of labour market during COVID-19 : Experts কিংবদন্তী অভিনেত্রী কবরী চিরস্মরণীয়-বরণীয় : তথ্যমন্ত্রী মুম্বাই-এ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদ্‌যাপন কবরীর মৃত্যুতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীবর্গের শোক হেফাজত কোনোভাবেই ছাড় পাবে না : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী খুলনায় করোনাকালে কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন

বিদেশের সমস্ত বাংলাদেশ মিশন ঐতিহাসিক ৭ মার্চ’ পালন করেছে 

The Bangladesh Beyond
  • Published Time Monday, March 8, 2021,
বিদেশের সমস্ত বাংলাদেশ মিশন ঐতিহাসিক ৭ মার্চ’ পালন করেছে 
ঢাকা ৮ মার্চ ২০২১:
বিদেশের সমস্ত বাংলাদেশ মিশন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যুগান্তকারী ভাষণের স্মরণে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ’ পালন করেছেন।
দিবসটির কর্মসূচির অংশ হিসাবে কূটনীতিক এবং প্রবাসী বাংলাদেশীরা জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুলের পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং theতিহাসিক ভাষণটি উপলক্ষে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান যা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বাংলাদেশের জনগণকে উত্সাহিত করেছিল মুক্তি। মিশনগুলি দিনের তাত্পর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা সহ বিস্তৃত প্রোগ্রামের আয়োজন করেছিল। কর্মসূচির মধ্যে এক মিনিটের নীরবতা পালন করা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পরিবারের সদস্য এবং একাত্তরে আত্মত্যাগকারী মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের জন্য মুক্তি ও শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনা করাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
অধিকন্তু, মাননীয় রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃ আবদুল হামিদ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বার্তাগুলি অনুষ্ঠানে শ্রোতাদের কাছে পাঠ করা হয়েছিল।

 

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদ্‌যাপন

 

নিউইয়র্ক, ৮ মার্চ ২০২১: :

 

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে গতকাল ইউনেস্কো’র ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্‌যাপন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সূচনা করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ এবং ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ এবং একটি প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শন করা হয় অনুষ্ঠানটিতে।

আলোচনা পর্বে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, ১৯৭১ সালে জাতির পিতা প্রদত্ত ৭ মার্চের ভাষণ একটি জাতিকে কীভাবে বজ্রকঠিন ঐক্যের পতাকাতলে সমবেত করে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণে উজ্জীবিত করেছিল তা উঠে আসে রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যে। তিনি বলেন, ‘এটি কোনো পূর্বলিখিত ভাষণ ছিল না। এটি ছিল ঐ সময়ের প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর হৃদয় উৎসারিত তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া। এতে একদিকে রয়েছে আমাদের সূদীর্ঘ মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস, আর অন্যদিকে রয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের সুস্পষ্ট নির্দেশনা’। তিনি আরো বলেন, ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের সফল পরিণতি হচ্ছে স্বাধীন স্বার্বভৌম বাংলাদেশ। ৭ মার্চের ভাষণ যাতে সর্বদা দীপ্যমান থাকে এবং জাতির পিতার সম্মোহনী দরাজ কন্ঠ যাতে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে অনুরণিত হয় সেজন্য নতুন প্রজন্মকে ভাষণটি বার বার শোনানোর আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন নানা কর্মসূচির আয়োজন করে যাচ্ছে মর্মে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে বাংলাদেশ জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ অর্জন করেছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন। স্ব স্ব অবস্থান থেকে সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

অন্যান্য আলোচকগণ ভাষণের প্রেক্ষাপট, বিষয়বস্তু, সুদূর প্রসারী প্রভাবের ওপর আলোকপাত করেন। জাতির পিতার এই ভাষণে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য একজন সুযোগ্য রাষ্ট্রনায়কের সুচিন্তিত কৌশলের সবটুকুই প্রতিভাত হয়েছে মর্মে মন্তব্য করেন বক্তাগণ।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো, ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রমনার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতার দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণকে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অভ্ দ্যা ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার’-এ অন্তর্ভুক্ত করে।

ভিয়েনাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদ্‌যাপন

 

ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া, ৮ মার্চ ২০২১:

ভিয়েনাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থায়ী মিশনে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গতকাল ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চ’ পালন করা হয়েছে। সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উপলক্ষ্যে গৃহীত কার্যক্রম শুরু হয়। দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণসহ অস্ট্রিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

বিকেলে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে এক অনলাইন আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক। এই আলোচনা সভায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, স্লোভেনিয়া ও স্লোভাকিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাঙালি, সাংবাদিক, ছাত্রছাত্রীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। আলোচনার শুরুতে দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। শুভেচ্ছা বক্তব্যে মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত বলেন, আমরা প্রত্যেকই স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ থেকে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করার সাহস ও অনুপ্রেরণা পাই। তিনি বলেন ৭ মার্চের ভাষণ শুধু এ দেশের নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের নয়, এ ভাষণ বিশ্বের নানা প্রান্তের নিপীড়িত জনগণের মুক্তির গান। এ জন্যই বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণ সমূহের একটি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দিয়েছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক মফিদুল হক তাঁর উপস্থাপনায় ৭ মার্চের ভাষণের ঐতিহাসিক পটভূমি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে এই ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য, বিশ্বপরিমন্ডলে এই ভাষণের অবস্থান এবং ইউনেস্কো কর্তৃক এই ভাষণকে International Memory of the Word Register-এ অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ একটি নতুন ধারার জাতীয় মুক্তি আন্দোলন ও একটি জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় অনস্বীকার্য অবদান রেখেছে। ভাষাভিত্তিক অসাম্প্রদায়িক জাতীয়তা, পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায় এবং সংঘাতের বিপরীতে সম্প্রীতির বিজয় অর্জনে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ যুগযুগ ধরে অনুপ্রেরণা দিয়ে যাবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

আলোচনা পর্বে বক্তরা বলেন, ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমেই মূলত দিশেহারা বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক এবং প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা পায়। এ ভাষণের পরেই বাঙালি জাতি স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করে।স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের অমিত শক্তির উৎস ছিল ঐতিহাসিক এই ভাষণ। আমাদের ইতিহাস ও জাতীয় জীবনে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এক অপরিহার্য অধ্যায় যা আমাদের সবসময় প্রেরণা যুগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহিদ, মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

অটোয়ায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

অটোয়া, কানাডা, ৮ মার্চ ২০২১:

 

জাতির পিতা ও স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বজ্রকন্ঠে সমগ্র জাতিকে উদ্ধুদ্ধ করে স্বাধীনতার এবং সার্বভৌম দেশ প্রতিষ্ঠার জন্য লাখো জনতার মাঝে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। এ ভাষণের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতির স্বাধীন বাংলাদেশের রূপরেখার পরিপূর্ণতা লাভ করে। এটি বাঙালি জাতির জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি দিন। বাংলাদেশ হাইকমিশন অটোয়ায় গতকাল এ উপলক্ষ্যে বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসাবে দিবসের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমান। পতাকা উত্তোলনের সময় জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। পরে বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ সময় অত্র হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দিবসের পরবর্তী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে হাইকমিশনারের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।  এরপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে প্রেরিত ডকুমেন্টরি প্রদর্শন করা হয়। রাষ্ট্রপতি ও  প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী দু’টি পাঠ করে শোনান হয়।

এর পর শুরু হয় ভার্চুয়াল বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান। উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমান। ভার্চুয়াল বিশেষ আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ফেলো  নিপা ব্যাণার্জী, বিশিষ্ট রাজনৈতিক কলামিস্ট প্রফেসর ড. মোজাম্মেল হক খান, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ড. খলিকুজ্জামান, কানাডায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত  অজয় বিশারিয়া, বিশিষ্ট সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাবেক সংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রী  আসাদুজ্জামান নূর।

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার মুজিববর্ষের জন্য বিশেষভাবে রচিত দুই বাংলার শিল্পীদের গাওয়া একটি গান- “হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি তুমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান” অবমুক্ত করেন। ভার্চুয়াল এ অনুষ্ঠানে সংযুক্ত সকলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন ।

Social Medias

More News on this Topic
01779911004