April 17, 2021, 6:03 pm
Headlines:
কবরী চাচি ছিলেন অভিভাবকের মতো : শামীম ওসমান ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত রংপুরে অবৈধ ঔষুধ রাখায় লক্ষ টাকা জরিমানা ১০৯ বছর বয়সী বৃদ্ধের জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগ আমলে নিলেন ওসি লালমনিরহাটে ভুট্টা পাতার হাট! কালিয়াকৈরে বসত-বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটের অভিযোগ, আহত ১ ময়মনসিংহে ৫ টাকায় ইফতার, চলবে মাসজুড়ে গুরুবাস: পর্যটনের নতুন স্কুল অব থট ফুডপান্ডার কর্মচারীকে মারধর : প্রভাবশালী অভিযুক্তকে ত্বরিৎ গ্রেফতার ঢাদসিকের ৯ আদালতের অভিযান: ২২ মামলায় ৬৭ হাজারের অধিক জরিমানা ইস্তাম্বুলে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদ্‌যাপিত মুজিবনগর সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে শেখ হাসিনার সরকার : শ ম রেজাউল করিম ১৭ এপ্রিল কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন Civil Society urged PM to speak for “A Global Regime on Climate Displacement” in Leaders’ Summit on Climate Effective social dialogues key to recovery of labour market during COVID-19 : Experts কিংবদন্তী অভিনেত্রী কবরী চিরস্মরণীয়-বরণীয় : তথ্যমন্ত্রী মুম্বাই-এ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদ্‌যাপন কবরীর মৃত্যুতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীবর্গের শোক হেফাজত কোনোভাবেই ছাড় পাবে না : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী খুলনায় করোনাকালে কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন

অধিকার আদায়ে নারীদের যোগ্যতা অর্জনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

The Bangladesh Beyond
  • Published Time Monday, March 8, 2021,

 অধিকার আদায়ে নারীদের যোগ্যতা অর্জনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা, ৮ মার্চ, ২০২১ (বাসস):

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের নারী সমাজকে নিজ নিজ অধিকার আদায়ে নিজেদের যোগ্যতর হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের এই সমাজকে যদি আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই তাহলে নারী পুরূষ নির্বিশেষে সকলে এক হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নারীদের একটা কথাই বলবো-নারীদের অধিকার দাও, অধিকার দাও বলে চিৎকার করা, বলা আর বক্তৃতা দেওয়া- এতে কিন্তু অধিকার আদায় হয় না। অধিকার আদায় করে নিতে হবে। অধিকার আদায়ের মত যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেই যোগ্যতা আসবে শিক্ষা-দীক্ষা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। যে কারণে দেশ স্বাধীন হবার পরই এদেশে নারী শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং অবৈতনিক করে দেন জাতির পিতা।’
প্রধানমন্ত্রী আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত বাংলাদেশ শিশু একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।
তাঁর সরকার ২ কোটি ৫ লাখ ছেলে-মেয়েকে বৃত্তি-উপবৃত্তি দিচ্ছে যার মধ্যে বেশির ভাগই নারী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমাজকে যদি গড়ে তুলতে হয় তবে, নারী-পুরুষ সকলকেই শিক্ষা দিতে হবে। যে কারণে আমরা প্রতিটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি।’
শেখ হাসিনা অতীত স্মরণ করে বলেন, তিনি ’৯৬ সালে সরকারে এসে দেখেছেন কোন নারীই ডিসি, এসপি’র কোন পদ পেতনা, উপজেলায় কোন ইউএনও’র পদ পেতনা কিন্তু তাঁর সরকার ক্ষমতায় আসা পর থেকে এখন সকল পদে নারীরা আসীন হয়েছেন।
তিনি উদাহরণ দেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার, সংসদ নেতা, বিরোধী দলীয় নেতা, সংসদীয় উপনেতা সবাই মহিলা। এটাই বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় অর্জন ।
তিনি বলেন, অতীতে ধর্মের নাম নিয়ে বা সামাজিকতার কথা বলে নারীকে পশ্চাৎপদ করে রাখার অপচেষ্টা সমাজ থেকে দূর হয়েছে।
বিভিন্ন প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারীদের সম্মাননা দেয়ার জন্য বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে ‘জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য প্রতি বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ৫ জন ‘জয়িতা’কে জাতীয় পর্যায়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এবারেও ৫ জনকে জয়িতা সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে। তারা হচ্ছেন-অর্থনৈতিকভাবে সফল নারীর ক্যাটাগরিতে হাছিনা বেগম নীলা, শিক্ষা ও চাকরির সাফল্যের ক্যাটাগরিতে মিফতাহুল জান্নাত, সফল জননী নারী ক্যাটাগরিতে মোসাম্মাৎ হেলেন্নেছা বেগম, নির্যাতিতা-বিজয়ী নারী ক্যাটাগরিতে বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা রবিজান এবং সমাজ উন্নয়নে অসমান্য অবদানের জন্য অঞ্জনা বালা বিশ^াস।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফহিলাতুননেসা ইন্দিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার হিসেবে এক লাখ টাকার চেক, সম্মাননা ক্রেস্ট এবং সনদ তুলে দেন।
মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুননেসা ইন্দিরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দেন। জয়িতা পদক প্রাপ্তদের পক্ষে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তৃতা করেন জয়িতা হাছিনা বেগম নীলা।
মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, পদস্থ সামারিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশন ও দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা পর্বের মাঝে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ নিউইয়র্ক শহরের একটি পোষাক কারখানায় নারী পোশাক শ্রমিকরা পুরুষের সমান ন্যায্য মজুরী ও দৈনিক ৮ ঘন্টা শ্রমের দাবিতে আন্দোলন করলে পুলিশ নির্যাতন চালায় এবং অনেককে গ্রেপ্তার করে। এই দাবিতে ঐ একই দিনে ১৯০৮ সালে আরো আন্দোলন-সংগ্রাম হয়। সেই দিনটিকে স্মরণ করে পরে বিভিন্ন সংস্থা ও নারী ব্যক্তিত্বের বিশেষের দাবির প্রেক্ষিতে ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দেয়।

Social Medias

More News on this Topic
01779911004